জিঙ্ক প্লাসটিয়েন্স জিঙ্ক প্লাস শরীরের ৮০ প্রকারেরও বেশি এনজাইমের সংশ্লেষণে শরীরের উন্নয়ন করে।পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রজনন অক্ষমতা, বীর্য ও শুক্রানুর গুণাগুণ ব্যাহত করে এবং প্রজননগ্রন্থিসমূহের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।জেনেটিক ইমিউনিটি, এন্ডোক্রিন ব্যবস্থা, নার্ভ বডি ফ্লুইডের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক।জিঙ্ক অভাবে আমাদেরশরীরে ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়।অপুষ্টি, বিস্ত্রত, চলাফেরায় সমস্যা, ভাবনায় সমস্যা উন্নতি ঘটে ।কোষ বিভাজন ও বৃদ্ধিতে সহায়ক।প্রয়োজনের তুলনায় কম জিঙ্ক শিশুর বৃদ্ধির গতি কমায়, ফলে শরীর আকৃতিতে ছোট থাকে।শিশুর বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত, সেই সাথে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা উন্নত করে।দৃষ্টি উন্নত ও প্রখর রাখতে সহায়তা করে।শিশু, কিশোর ও পূর্ণবয়স্ক সকলের জন্য।৪ গ্রাম *২০ টি স্যাচেট ।৩-১০ বছর বয়সেঃ প্রতিবার ১টি স্যাচেট।১০ বছরের ঊর্ধেঃ প্রতিবার ২টি স্যাচেট,প্রতিদিন ১/২ বার গরম পানি বা দুধের সাথে খাবারের পর।এটি কোন ঔষধ নই,উচ্চ মানসম্পূর্ণ খাদ্য ।পস্তুতকারকটিয়েন্স© চায়না ।